চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। শনিবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-দফতর সম্পাদক আইনুল হোসেন সাগর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৬ ডিসেম্বর দুপুরে লোকপ্রশাসন বিভাগের ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক তালিমুল সায়েমকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে অমানুষিক নির্যাতন করে ছাত্রলীগ। পরে তাকে অপহরণ করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে গিয়ে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে আবারো মারধর করে। এমনকি ফেসবুকে লাইভে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চবি ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ লিখিত ষড়যন্ত্রমূলক পত্র পড়তে বাধ্য করে। পরবর্তীতে আক্রান্ত ছাত্রকে উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ আমরা প্রক্টরকে অনুরোধ করি। কিন্তু প্রক্টর ছাত্রলীগের পক্ষাবলম্বন করে। পরে তাকে চিকিৎসা না দিয়ে হাটহাজারীর মীরের হাট এলাকার আগের একটি গায়েবি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। যা খুবই ন্যাক্কারজনক ঘটনা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এমন ঘটনা আমাদের খুবই মর্মাহত করেছে। চবি ছাত্রদলের সভাপতি কে আলম ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সেইসঙ্গে অবিলম্বে চিহ্নিত ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং দায়িত্বে অবহেলা, পক্ষপাতিত্ব অবলম্বন ও ছাত্র নির্যাতনে সহায়তাকারী প্রক্টরকে পদত্যাগ কিংবা অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে। না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ায় পাশাপাশি ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল হওয়ার দায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিতে হবে।
এ ব্যপারে বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যলয় প্রক্টর আলী আজগর চৌধরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি ও আমার কোনও সহকর্মী প্রক্টর অফিসে উপস্থিত ছিলাম না। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। তাছাড়া সবাই আমার ছাত্র। কে কোন দল করে সেটা আমাদের বিবেচনার মধ্যে থাকে না।’








