নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে শনিবার সন্ধ্যার সংঘর্ষের জন্য বিএনপি প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনকে দায়ী করেছেন নৌকার প্রার্থী এইচ এম ইব্রাহীম। শনিবার রাত ১০টায় সোনাইমুড়িতে সংবাদ সম্মেলনে নোয়খালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের নৌকার প্রার্থী এইচ এম ইব্রাহীম অভিযোগ করে বলেন, দলীয় এক কর্মীর বাড়িতে দাওয়ার খাওয়া অবস্থায় তিনি খবর পান মাহবুব উদ্দিন খোকনের নেতৃত্বে সোনাইমুড়ি বাজারে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর হামলা ও নির্বাচনি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। নিজেদের অস্ত্রে আহত হয়ে প্রতিপক্ষও পুলিশের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন খোকন।
সোনাইমুড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি মোতাহের হোসেন মানিক জানান, শনিবার বিকালে বিএনপি প্রার্থী খোকনের সোনাইমুড়ি কলেজ থেকে জনসংযোগ করে হাইস্কুলে গিয়ে শেষ করার কথা। কিন্তু স্কুলে বিজয় দিবসের কর্মসূচি থাকায় পার্শ্ববর্তী সিটি সেন্টারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। কর্মসূচি শেষে করে নেতাকর্মীরা চলে যাওয়ার সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
সোনাইমুড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মমিনুল ইসলাম বাকের জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং দোকানপাট ভাঙচুর করে। এসময় আওয়ামী লীগের ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়।
খোকনের অভিযোগ, পথসভা শেষ করে নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি ফিরে আসার পথে সোনাইমুড়ি থানার ওসি আবদুল মজিদের নেতৃত্বে পুলিশ তাদের ওপর গুলি ছোড়ে।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফ জানান, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। কাউকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ার ঘটনা ঘটেনি। খোকন গুলিতে আহত হয়েছেন কিনা তা তদন্তের পর বলা যাবে। তবে দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদসহ পুলিশের ৪ সদস্য আহত হয়েছেন।








