কুমিল্লা-১০ (সদর দক্ষিণ, নাঙ্গলকোট, লালমাই) আসনের ৯৬ জন প্রিজাইডিং অফিসার নাম বাদ দেওয়ার দাবিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।
ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী কারাবন্দি মনিরুল হক চৌধুরীর মেয়ে ও তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস মঙ্গলবার এ অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি ওইসব নির্বাচনি কর্মকর্তাদের ‘দলকানা, বিতর্কিত ও দুর্নীতিপ্রবণ’ বলে উল্লেখ করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কুমিল্লা-১০ আসনের সদর দক্ষিণ উপজেলায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ জন কর্মকর্তাকে এবং ওই আসনের নাঙ্গলকোট উপজেলার শিক্ষা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৭৮ জনকে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে জেনেছি।
এসব কর্মকর্তাদের নাম ও কর্মস্থলসহ পদবী উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, এসব কর্মকর্তারা দলীয় লোক হিসেবে চিহ্নিত, দলকানা ও বিতর্কিত ব্যক্তি। তাদের মাধ্যমে কোনও অবস্থাতেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তারা যে কোনও ধরনের জালিয়াতি ও ভোট ডাকাতির মতো ঘটনা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই এ ধরনের ব্যক্তিদের ভোটগ্রহণের জন্য কোনও কেন্দ্রে দায়িত্ব না দিয়ে গ্রহণযোগ্য, সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ জানান।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে, এ বিষয়ে এর বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।








