রাত পোহালেই একাদশ সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের এক হাজার ৮৯৭টি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি মাঠে থাকবে সেনা ও নৌবাহিনীর ১ হাজার ৪২৮ জন সদস্য। এর বাইরে চট্টগ্রামের নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবে র্যাবের ৪৬টি পেট্রোল ও মোবাইল টিমসহ ৩৮১ সদস্য এবং পুলিশের ১৬টি স্ট্রাইকিং টিম, ১৬টি স্ট্যান্ডবাই টিম, ২০০টি মোবাইল টিম।
শুধু চট্টগ্রাম নগরীর ৫৯৭টি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় মাঠে কাজ করবে সাড়ে পাঁচ হাজার পুলিশ সদস্য এবং ২০ প্লাটুন আনসার সদস্য। শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার মাহবুবুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) আওতাধীন নগরীর ৫৯৭টি ভোটকেন্দ্রকে আমরা দু’টি ভাগে ভাগ করেছি। এর মধ্যে আমরা ৩৯৭টিকে কম গুরুত্বপূর্ণ এবং বাকি ২০০ কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি।’
মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তায় আমরা জোর দিয়েছি। এসব কেন্দ্রে একজন সশস্ত্র পুলিশ অফিসার এবং চারজন এসআই নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। কম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে একজন সশস্ত্র পুলিশ অফিসারের সঙ্গে দুজন কনস্টেবল নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবে। এর বাইরে প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।’
সিএমপির আওতাধীন ১৫টি থানার অধীনে মোট ২০০টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নির্ধারণ করেছে নগর পুলিশ। নগরীর বাইরে চট্টগ্রামের অপর ১৩টি আসনের ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় সাড়ে তিন হাজার পুলিশের সঙ্গে ২০ হাজারের বেশি আনসার সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সবগুলো ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশ কাজ করবে। তবে জেলার এক হাজার ৩০০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে আমরা ৭৯টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। এগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।’
জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি নির্বাচনের দিন সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে সেনা ও নৌ বাহিনীর এক হাজার ৪২৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে নগর ও জেলার ১৫টি আসনে ১ হাজার ৩২৭ জন সেনাসদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। বাকি ১০১ জন নৌবাহিনী সদস্য জলবেষ্টিত দ্বীপ এলাকা সন্দ্বীপে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ৩০ সদস্যের ৭১ প্লাটুন বিজিবি মাঠে কাজ করবে।








