বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যালের (বিএসএমএমইউ) সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজন কর্মকারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তার পরিবারের। ছোট ভাই রাজীব কর্মকার অভিযোগ করেন, ‘স্ত্রীই রাজনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ডাক্তার ও তার বন্ধুবান্ধবরা সবাই বলছেন, এটি অস্বাভাবিক মৃত্যু। আমিও এটাই বিশ্বাস করি এবং এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবিবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর উত্তর একলাশপুর এলাকায় মাইজদী-বেগমগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেন তারা। সেখানে তিনি এ অভিযোগ করেন। প্রায় আধঘণ্টা পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেন তারা।
অবরোধ কর্মসূচিতে রাজনের মা, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা ছিলেন।
রাজন কর্মকারের মামা উত্তম কর্মকার বলেন, ‘‘দেড় বছর আগে আমার ভাগিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। সে সময় তাকে প্রথমে পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে, সেখান থেকে সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেবার সে বেঁচে যায়। তখন, আমার বোন (রাজন কর্মকারের মা) খুকু রাণী কর্মকার তৎকালীণ এমপি সাধন মজুমদারের কাছে আমার ভাগিনার প্রাণভিক্ষা চান। তখন এমপি সাহেব বলেন, ‘আপনার ছেলের দায়িত্ব আমি নিলাম।’ কিন্তু,আজ দেখা গেলো, আমার ভাগিনাকে পরিকল্পিতভাবে হত্য করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’’
রাজনের মৃত্যুর খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গে তাদের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে। মা খুকু রাণী কর্মকার ও বাবা সুনীল চন্দ্র কর্মকার বারবার মূর্চ্ছা যান। আত্মীয়-স্বজনের কান্নায় পুরো বাড়ির বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। কাঁদতে-কাঁদতে অনেকটা নিস্তেজ হয়ে পড়েছেন বাবা।








