বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা শিথিলের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে টেকনাফের জেলে পরিবারগুলো। রবিবার (২৬ মে) দুপুরে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এ দাবি জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টেকনাফ বোট মালিক সমিতির সভাপতি মো. বেলাল।
তিনি বলেন, ‘এ নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ৪০ হাজার জেলে পরিবারে নেমে এসেছে দুর্দিন। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জেলে পরিবারগুলো অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।’
এ সময় টেকনাফ বোট মালিক সমিতির নেতারা ছোট নৌকা দিয়ে সাগরে মাছ ধরতে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
টেকনাফ বোট মালিক সমিতির সভাপতি মো. বেলাল বলেন, ‘২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় টেকনাফের জেলে পরিবারগুলোয় নেমে এসেছে মানবিক বিপর্যয়। তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। কোনও কাজ না থাকায় অনেকে ইয়াবা ব্যবসার দিকে ঝুঁকছে বলে তিনি জানান। এছাড়া সামনে ঈদ। তাদের ঈদের আনন্দ যাতে মাটি না হয় সেদিকে সরকারকে বিশেষ নজর দেওয়া জন্য অনুরোধ করছি। আমরা সরকারের কাছে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’ পরে তারা উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর দফতর বরাবর স্মারকলিপি দেন।
নৌকা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. নূর মোহাম্মদ গনি জানান, রোহিঙ্গারা আসার আগে জেলে পরিবারগুলোর অবস্থা খুব ভালো ছিল। নাফ নদে মাছ ধরে ও বিক্রি করে তারা প্রতিদিন ২-৩ হাজার টাকা আয় করতো। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের পর তাদের সে সুযোগ আর নেই। সাগরে মাছ ধরতে যেতে না পারায় জেলে, ট্রলার মালিক, মাঝিমাল্লা, শ্রমিকসহ এ পেশানির্ভর সব পরিবারের কঠিন সময় যাচ্ছে।







