ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের ৩টি গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ৪০টি বাড়িসহ গাছপালা বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ের উঠতি ফসলের ক্ষতিসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানায়, শনিবার সকাল থেকে কায়েমপুর ইউনিয়নের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। হঠাৎ কামালপুর, কালতা, গোবিন্দপুর এই ৩টি গ্রামের ওপর দিয়ে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায় এবং বৃষ্টি শুরু হয়। ক্ষণস্থায়ী এই ঝড়ে কামালপুর, কালতা ও গোবিন্দপুর গ্রামের অন্তত ৪০টি আধাকাঁচা টিনের ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া গাছপালাসহ শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের কবলে পড়ে ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঝড়ে কসবা-কোল্লা পাথর সড়কের কামালপুরে গাছ পড়ে রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে ৩ ঘণ্টা চেষ্টার পর গাছটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এ সময় কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ উল আলম, কসবা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো পরিদর্শন করেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো ঘুরে প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০টি ঘরের তালিকা তৈরি করেছি। এর বাইরে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা খোঁজখবর নিচ্ছি।’
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ উল আলম সাংবাদিকদের জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঠিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ৫ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করে ক্ষতিগ্রস্তদের পরবর্তী সময়ে আরও সাহায্য-সহযোগিতা করা হবে।








