ভারী বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন। এতে রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, স্কুল, মসজিদ-মাদ্রাসা ও বসতঘরসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবে গেছে। পানিবন্দি হয়ে রয়েছেন এই ইউনিয়নের ৩০ হাজার মানুষ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোবারক হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইউএনও মোবারক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে এখনপর্যন্ত সাতকানিয়ার ৮টি ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কিছু কিছু এলাকায় মানুষের ঘরবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়েছে।’ পানিতে প্লাবিত ইউনিয়নগুলো মধ্যে বাজালিয়া, ছদাহ, এওচিয়া, কেঁওচিয়া, আমিলাইশ, খাগরিয়া, নলুয়া রয়েছে বলেও তিনি জানান।
বাজালিয়া ইউনিয়নের সচিব মো. খসরু সিকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাজালিয়া ইউনিয়নের ৬টি গ্রামের প্রায় সাত হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই ইউনিয়নের মাহালিয়া এলাকার বাসিন্দারা। ওই এলাকার প্রায় দুই হাজার ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। এখন মানুষকে নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।’
এদিকে, টানা বৃষ্টিতে সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান রুটে গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) সকালের বৃষ্টিতে সাতকানিয়ার কেরানির হাট থেকে বান্দরবানমুখী সড়কের বাজালিয়া অংশ পানিতে তলিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন সচিব মো. খসরু সিকদার বলেন, ‘সড়কে হাঁটু পরিমাণ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে রিস্ক নিয়ে কয়েকটি বড় গাড়ি চলাচল করছে।’
ছদাহ ইউনিয়নের সচিব মোহাম্মদ নুরুল আবছার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নের পূর্ব ছদাহ, উত্তর ছদাহসহ তিনটি গ্রাম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে পড়েছেন। তবে এখনও ঘরবাড়িতে পানি উঠেনি।’








