এবারের কোরবানির ঈদে কুমিল্লা জেলায় প্রায় ৫০ কোটি টাকার পশুর চামড়া বেচাকেনা লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রায় চামড়া সংগ্রহের জন্য ব্যবসায়ীরা মূলধন সংগ্রহ করছেন। তবে মূলধন সংগ্রহ নিয়ে ব্যবসায়ীরা চিন্তায় আছেন। কারণ ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছে কুমিল্লার ব্যবসায়ীদের প্রায় পৌনে এক কোটির টাকার মতো পাওনা রয়েছে।
কুমিল্লা চামড়া ব্যবসায়ী রতন ঋষি বলেন, ‘প্রায় দুই বছর ধরে কুমিল্লার চামড়া প্রক্রিয়াজাত শুরু হয়। আমাদের দেশের অর্থনীতিতে চামড়া ব্যবসায় একটি বড় ভূমিকা পালন করে। তবে ট্যানারি মালিকদের অসযোগিতার কারণে চামড়া শিল্পটি ধ্বংসের মুখে পড়েছে।
বীরেন্দ্র দাশ ঋষি বলেন, ‘প্রক্রিয়াজাত করা চামড়া ঢাকায় পাঠানোর পরও টাকা পরিশোধ করছেন না ট্যানারি মালিকরা। এজন্য আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি।’
চামড়া ব্যবসায়ী রতন ঋষি বলেন, ‘আমরা খুবই সমস্যায় আছি। ঢাকার ট্যানারির মালিকরা আমাদের পাওনা প্রায় কোটি টাকা দিচ্ছে না। এজন্য আমরাও চামড়া শিল্পকে এগিয়ে নিতে পারছি না। যদি আমাদের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয় ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে আমাদের পাওনা টাকাগুলো উদ্ধার করে দিতো তাহলে আমরা হাফ ছেড়ে বাঁচতাম।’
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর বলেন, ‘আমাদেরকে অন্তত একমাস আগে জানান দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। তাহলে আমরা অবশ্যই একটা ব্যবস্থা করতে পারতাম। তবে চামড়া ব্যবসায়ীরা ঈদের পর আমার অফিসে এসে তাদের অভিযোগ বিস্তারিত জানাক। আমি অবশ্যই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।’








