ব্রাহ্মণবাড়িয়া গোকর্ণঘাট এলাকায় তিতাস নদীর ওপর নির্মিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-নবীনগর সংযোগ সেতুর উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির উদ্বোধন করেন। সেতুটি জেলার দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের শুরুতে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। সেতুটি চালু হওয়ায় নবীনগরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পথ কমে আসবে। মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যে জেলা শহর থেকে নবীনগর পৌঁছা সম্ভব হবে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশর অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে ৫৭৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং সাড়ে ৭ মিটার প্রস্থ নবনির্মিত সেতুটিতে ২২ পিয়ার এবং ২৩টি স্প্যান রয়েছে। সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৮ কোটি টাকা।
সেতুর ওপর দিয়ে রিকশা নিয়ে আসা চালক শোরাফ হোসেন ও রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা আমীর আলী জানান, স্বাধীনতা পূর্ব এবং পরবর্তী সময়ে জেলার নবীনগর এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। ফলে নৌপথে যাতায়াত ছাড়া দুই উপজেলার জনসাধারণের যোগাযোগের কোনও পথ ছিল না। সড়ক পথে নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর যেতে হলে দীর্ঘ ৪ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে ভোগান্তির মধ্য দিয়ে গন্ত্যবে পৌঁছাতে হতো। এখন থেকে এই ভোগান্তি আর থাকবে না।
বিদ্যাকুট গ্রামের সিএনজি অটোরিকশা যাত্রী মাঝ বয়সি আমেনা খাতুন জানান, ছোট থেকে কত কষ্ট করেছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে যাওয়ার জন্য। কিন্ত, আজ গাড়িতে করে যাচ্ছি। আমাদের জন্য সেতুটি স্বপ্নের সেতু।








