করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় সাত জন করোনা শনাক্ত এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাই এই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসক হায়ত-উদ-দৌলা খান।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে লকডাউন কার্যকর হবে। দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কিট হাউজের কনফারেন্স রুমে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সভা শেষে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় জেলা প্রশাসক হায়ত-উদ-দৌলা খান জানান, সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে পরবর্তী ঘোষণা দেওয়া না পর্যন্ত লকডাউন চলবে। এই সময় কেউ এই জেলাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং বাইরেও বের হতে পারবে না। মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে চেকপোস্ট বসানো থাকবে। নদীপথেও পুলিশের চেকপোস্ট থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা চিকিৎসা, কৃষিপণ্য, পশু খাদ্য, খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ-সরবরাহ ও গণমাধ্যম কর্মীরা এর আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি সেবা পরিচালনা করার জন্যে ঢাকা-সিলেট ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক আওতামুক্ত থাকবে। যারা এই আইন অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, 'প্রত্যেক গ্রামে একটি করে কমিটি গঠন করে দেওয়া হবে। এই কমিটি এলাকার খাদ্য সংকট ও এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি জানাবে। গণমাধ্যম কর্মীদেরকে তাদের আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে।'
এদিকে জেলা সিভিল সার্জন একরাম উল্লাহ জানান, জেলায় এখন পর্যন্ত সাত জন করোনা শনাক্ত হয়েছেন। জেলার আখাউড়া উপজেলায় তিন জন, জেলা সদরে দুই জন, নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখার জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।








