নিখোঁজের দুই দিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মেঘনা নদী থেকে মো. কবির হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার লালপুর এলাকায় মেঘনা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কবির হোসেন সদর উপজেলার সুহিলপুর গ্রামের আবু সালেকের ছেলে। তারা আশুগঞ্জের পোড়াগুদাম এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। আশুগঞ্জে রাজমিস্ত্রীর সহকারি হিসেবে কাজ করতেন কবির।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে কবির হোসেন পোড়াগুদাম এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানি নিষ্কাশন চ্যানেলে ক্রিকেট বল আনতে গিয়ে তীব্র স্রোতে মেঘনা নদীতে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে পরিবারের লোকজন, আশুগঞ্জ থানা পুলিশ, ভৈরব নৌ-পুলিশের সদস্যরা নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলসহ নদীর বিভিন্ন স্থানে তার লাশের সন্ধান করে। কিন্তু ভরা বর্ষায় মেঘনায় স্রোত তীব্র থাকায় গত দুই দিন ধরে লাশের সন্ধান মেলেনি। রবিবার লালপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় জেলেরা তার পরিবারকে খবর দেয়। পরে জেলেদের সহায়তায় স্বজনেরা লাশ উদ্ধার করে পোড়াগুদাম এলাকায় নিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার লাশ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
মৃত কবির হোসেনের বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, রবিবার দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন জেলে মেঘনা নদীতে লাশ ভাসতে দেখে তাদের খবর দেয়। পরে দুপুর ২টার দিকে তারা কবিরের লাশ উদ্ধার করেন।
ভৈরব নৌ থানার উপ-পরিদর্শক মো. রাসেল মিয়া জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়।








