তিন বছরেও ঠিক হয়নি চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক

রাঙামাটি প্রতিনিধি
২৬ আগস্ট ২০২০, ১২:১৬আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২০, ১২:১৭

রাঙামাটির ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক


প্রবল বর্ষণে ২০১৭ সালের ১৩ জুন রাঙামাটি-চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-বান্দরবান সড়কের ১৪৫টি স্থানে ভূমিধস হয়। সড়কের একটি অংশ ধসে গিয়ে টানা ১০দিন রাঙামাটির সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিল। পরে বিকল্প সড়ক ও একটি সেতু তৈরি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু তিন বছর পার হয়ে গেলেও সেই অস্থায়ী সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পরিবহন চলাচল করছে। কিন্তু তিন বছরেও সড়ক ধস ঠেকাতে কোনও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, সড়কের স্থায়ী কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে।

রাঙামাটির ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক

দীর্ঘদিনেও সড়কের স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়ে বাসচালক জহির উদ্দিন বলেন, পাহাড় ধসের কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের অনেক জায়গায় গাড়ি চলাচলা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। অপরপাশে কোনও থেকে বাস বা ট্রাক আসলে তখন দাড়িয়ে থাকতে হয়। না হয় দুটি গাড়ি ঝুঁকিতে থাকে। এভাবে প্রতিদিনি ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।

রাঙামাটির ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক



ট্রাকচালক সাইফুল উদ্দীন বলেন, দিনের বেলায় যেমন তেমন আসা-যাওয়া করা যায়। রাতের বেলায় চট্টগ্রাম বা ঢাকায় যাওয়া আসা খুবই কঠিন। রাস্তার কাজ হচ্ছে বলে অনেকদিন শুনছি কিন্তু এখনও কোনও পদক্ষেপ দেখছি না। এভাবে চলতে থাকলে যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

রাঙামাটির ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক
জাতীয় মানবাধিকার কমিটির সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান বলেন, বিভিন্ন সভায় শুনেই যাচ্ছি এত কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, একনেকে পাস হয়েছে। কিন্তু কাজের কোনও অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এভাবে মানুষকে আশা দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করার আহ্বান জানাবো সড়ক বিভাগকে।

রাঙামাটির ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক
সড়কের স্থায়ী সমস্যা সমাধানে ২৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ শগগিরই শুরু হচ্ছে বলে জানান রাঙামাটির সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহে আরেফিন। তিনি জানান, করোনার কারণে টেন্ডার জমা দেওয়ার সময়সীমা কয়েকবার বাড়ানো হয়েছিল। টেন্ডারটি খুলেছি এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েচি। আশা করছি আগামী মাসে কাজের অনুমতি পাবো। কাজের অনুমতি পেলেই সড়কে স্থায়ী সামাধানের কাজ শুরু করতে পারবো।

 

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম