ধর্ষণ বন্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপি। তিনি বলেন, ‘ধর্ষকরা বেঁচে থাকে দুর্নীতিবাজ, লুটেরাদের ছত্রছায়ায়। তাই প্রধানমন্ত্রী ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোরতর হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নির্ধারিত হয়েছে। আশা করি, এসিড নিক্ষেপের মতো ধর্ষণও বন্ধ হবে।’
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে ফেনী শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ধর্ষণ ও এর প্রতিকার প্রসঙ্গে ‘কর্মজীবী নারী’ সংগঠনের ব্যানারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি এ কথা বলেন। নারীর সমঅধিকার ও মর্যাদা আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে ‘কর্মজীবী নারী’ সংগঠনের পথ চলা। নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপের লক্ষ্যে কাজ করা সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য শিরিন আখতার।
বিচারের কঠোরতা নিশ্চিত করায় এবং ১৮০ দিনে বিচার কার্য সম্পন্নের আইন পাশের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে শিরিন আখতার আরও বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নীতি-নৈতিকতার শিক্ষা আরও জোরদার করতে হবে। রাজনৈতিক সংগঠন হতে ধর্ষককে বের করে দিতে হবে।’
দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রসঙ্গে শিরিন আখতার বলেন, ‘১৯৯৫ সালে আলোচিত ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যার বিচারে সে সময়ের সরকারের অনীহা দেশের মানুষের বিবেককে জাগ্রত করেছিল। ফলে জেগে ওঠেছিল জনতা। পরবর্তী সময়ে সরকার ওই ঘটনায় তিন জনের ফাঁসি নিশ্চিত করেছিল। ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।’
তিনি বলেন, ‘এসিড নিক্ষেপের বিরুদ্ধে আমরা সংগ্রাম করেছি। ঝলসে যাওয়া মুখ নিয়ে নারীর নিদারুণ মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণা সর্বস্তরের মানুষকে কাঁদিয়েছে। আমাদের সংগ্রামের ফলে অর্জিত হয়েছে এসিড নিক্ষেপের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি।’








