স্বামী ও ছেলেকে মারধরের ঘটনায় কুমিল্লার চান্দিনায় উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়নের সদস্য আবদুল মতিনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক গৃহবধূ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ওই ইউনিয়নের বাড়েরা গ্রামের বাসিন্দা মো. মনিরুল ইসলামের স্ত্রী আয়েশা বেগম বাদী হয়ে ইউপি সদস্যকে প্রধান আসামি করে ওই মামলা দায়ের করেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন— বাড়েরা গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে আবুল হোসেন, আবুল হোসেনের ছেলে মজিবুর রহমান, স্ত্রী ফিরোজা বেগম ও মৃত রমিজ উদ্দিনের ছেলে মনির হোসেন।
চান্দিনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে আবুল হোসেন (৪৫) কে গ্রেফতার করে। ইউপি মেম্বার মো. আবদুল মতিনসহ অপর আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
মামলার বাদী আয়েশা বেগম জানান, তার দেবর আবুল হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকালে আবুল হোসেন লোকজন নিয়ে তাদের ক্রয় করা বসত ভিটা দখলের জন্য অবৈধভাবে বেড়া দেয়। তার স্বামী ও ছেলে আবুল হোসেনকে বাঁধা দিলে ইউপি মেম্বার মো. আবদুল মতিনের নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা করে। এ সময় তারা রড, কুড়াল ও লাঠি দিয়ে তার স্বামী ও দুই ছেলেকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তার স্বামী মো. মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা তাদের বসত ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করে এবং একটি স্বর্ণের চেইন, একটি মোবাইল সেট ও নগদ এক লাখ ৫ হাজার টাকা লুট করে নেয়।
এ বিষয়ে জানতে মো. আবদুল মতিন মেম্বারের ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার কল করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে বাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খোরশেদ আলম জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণেই ওই মারামারি হয়েছে। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেও লাভ হয়নি।
এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসউদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, মামলার এজাহারভুক্ত একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।








