তৃতীয় ধাপের পৌর নির্বাচনের অংশ হিসেবে শনিবার (৩০ জানুয়ারি) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভা ও হাতিয়া উপজেলার হাতিয়া পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধান দুই দলের মেয়রপ্রার্থীসহ অন্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা পুরোদমে চালিয়েছেন নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা।
চৌমুহনী পৌরসভার নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী চার জন। এছাড়া ৩৬ জন কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ১৩ জন।
মেয়রপ্রার্থীরা হলেন, চৌমুহনী পৌরসভার আওয়ামী লীগ মনোনীত আক্তার হোসেন ফয়সল, বিএনপি মনোনীত মো. জহিরউদ্দিন হারুন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. খালেদ সাইফুল্লাহ ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন মনোনীত জাকের হোসেন।
১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চৌমুুুহনী পৌরসভার মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার। মোট ভোটার ৫৪ হাজার ২৫৪ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২৫ হাজার ৭৪১ জন এবং নারী ভোটার ২৮ হাজার ৫১৩ জন।
অপরদিকে, হাতিয়া পৌর নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী দুই জন, কাউন্সিলর ৪০ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৮ জন। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পৌরসভার মোট জনসংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। মোট ভোটার ৩২ হাজার ৩২৯ জন। এরমধ্যে, পুরুষ ভোটার ১৬ হাজার ৬৯২ জন এবং নারী ভোটার ১৫ হাজার ৬৩৭ জন।
হাতিয়া পৌরসভার নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী দুই জন, কাউন্সিলর ৪০ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৮ জন। মেয়রপ্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত কে এম ওবায়দুল্লাহ বিপ্লব এবং বিএনপি মনোনীত কাজী আবদুর রহিম।
এদিকে চৌমুহনী ও হাতিয়া পৌরসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পৌরসভার সরকারি কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সকালে ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন। ব্রিফিং শেষে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে স্ব-স্ব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ও আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনি সরঞ্জাম নিয়ে যান।
চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, পৌরসভায় কেন্দ্র সংখ্যা ২০টি। নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য তিন শতাধিক পুলিশ, র্যাবের ছয়টি টিম, ছয় প্লাটুন বিজিবি, পুলিশের ১৭টি মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং টিম ৯টি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৫ জন এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে একজন দায়িত্ব পালন করবেন।
হাতিয়া পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেন, পৌরসভায় কেন্দ্র সংখ্যা ১৩টি। নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য দুই শতাধিক পুলিশ, র্যাবের দুটি টিম, ২ সেকশন (২৪জন) কোস্টগার্ড, পুলিশের ১০টি মোবাইল টিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১০ জন এবং একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।









