কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট সংলগ্ন হোন্ডা মার্কেটে আগুন লেগে ২৬টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার রাতে এই ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনায় গোটা মার্কেট এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আগুনে হোন্ডার গোডাউন, সার্ভিস সেন্টার ও শোরুমসহ প্রায় ২৫-২৬ টি দোকান পুড়ে পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে। সঙ্গে পুড়ে গেছে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের সব স্বপ্ন ।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, চান্দিনা, ইপিজেড ও চৌরাবাজারসহ ৪টি ফায়ার স্টেশনের ১০টি ইউনিট কাজ করে। ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা জানান, মার্কেটে পেট্রোল, মবিল, টায়ার টিউব ইতাদি দাহ্যপদার্থ থাকার কারণে আগুন খুব দ্রুত বেড়ে যায় ও ছড়িয়ে পড়ে।
জানা যায়, কয়েকদিন আগে ব্যাংকে দেনার দায়ে নিলামে বিক্রি হয়েছিল কুমিল্লা সদরের ক্যান্টনমেন্ট মার্কেট সংলগ্ন নিশ্চিন্তপুর (নামার বাজার) এলাকার বৃহত্তর হাজি মার্কেটটি (হোন্ডা মার্কেট)। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে একদিল ব্যবসায়ী নিলামে মার্কেটটি কেনে। এখানে অতি মুনাফার লোভে আগুন লাগানোর কোনও কারসাজি আছে কিনা তাও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আশেপাশের মার্কেটের ব্যবসায়ীরা।
কুমিল্লা জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জমান জানান, প্রায় ২ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় ২৫/২৬টি দোকান। তবে এতে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার কিছুক্ষণ পরপর মোটরসাইকেলের তেলের টাংকি বিস্ফোরণের শব্দে গোটা এলাকা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর ৬টায় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে মার্কেটের আগুন। এসময় ব্যবসায়ীদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে মার্কেটের আশপাশের এলাকা। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম টুটুল, কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক। এসময় উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সাধ্যমতো সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।









