নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নে মৃত্যুর ১৩৮ দিন পর ময়নাতদন্তের জন্য বেলাল হোসেন (১৯) নামে এক যুবকের লাশ কবর থেকে তোলা হয়েছে। সোমবার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মং চিং নু মারমার উপস্থিতিতে লাশটি কবর থেকে ওঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের শায়েস্তানগর গ্রামের আবদুল গোফরানের সঙ্গে একই এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন বাবু এবং পার্শ্ববর্তী বেগমগঞ্জ উপজেলার লাউতলী গ্রামের আমিন উল্লাহর ছেলে মোশারফ হোসেনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে গোফরানের ছেলে বেলালকে চলতি বছরের ১৬ মে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তারা উপজেলার নোয়াখালী মহাসড়কের আহমদিয়া ব্রিকফিল্ডের সামনে নিয়ে মাথায় আঘাত করে বেলালকে হত্যা করে। পরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে বলে প্রচার করে দ্রুত তার দাফন সম্পন্ন করে। এ ঘটনায় গত ২২ আগস্ট নিহতের বড় ভাই মোফাজ্জল হোসেন ওরফে উজ্জ্বল বাদী হয়ে নোয়াখালীর আদালতে মামলা করেন। মামলায় সাইফুল ইসলাম, আরাফাত হোসেন বাবু ও মোশারফ হোসেনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও তিন-চার জনকে আসামি করা হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, ‘সেনবাগ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর হোসেন অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ও মোশারফ হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠান। এরপর সেনবাগ থানা পুলিশ বেলাল মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে কবর থেকে লাশ উত্তোলনের আবেদন করলে আদালত অনুমতি দেন। আজ (সোমবার) দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ কবর থেকে উঠিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।’
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









