কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনার পর মানিকারচর বাজার এলাকা থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১২টায় ইউনিয়নের দড়ি উত্তর বাউশিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। হামলার পর মেঘনা থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকির হোসেনের অভিযোগ, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য এবং পেশিশক্তি ব্যবহার করে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী হারুন অর রশিদের কর্মী-সমর্থকরা গভীর রাতে আমার নির্বাচনি অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করেছে। হামলাকারীদের অধিকাংশই স্থানীয় ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হয়ে কীভাবে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ও নৌকা পুড়িয়েছেন? আমি এই ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।
হামলার ঘটনায় জাকির হোসেনের কর্মী মো. ওয়াসিম বাদী হয়ে হারুন অর রশিদের অভিযুক্ত কর্মী ও সমর্থকদের আসামি করে একটি মামলা করেচেন। অন্যদিকে পেট্রোল বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মেঘনা থানার পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে।
অভিযুক্ত বিদ্রোহী প্রার্থী হারুন অর রশিদের ভাই মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজ বলেন, নৌকার অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তারা জড়িত না। তার ভাই নৌকার বিপক্ষে না প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করছেন।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদ জানান, নৌকা প্রার্থীর অফিসে হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের এবং পেট্রোল বোমা উদ্ধার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।









