কক্সবাজার শহরে এক নারীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) সকালে কক্সবাজার সদর থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
গত সোমবার দুপুরে শহরের আদালত এলাকা থেকে ওই নারীকে একদল যুবক তুলে একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করছেন ওই নারী। এ ঘটনায় চার জনের নাম উল্লেখসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মুনীর উল গিয়াস মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এজাহারে উল্লেখিত চার আসামি হলো- কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ায় বসবাসকারী ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের গোমাতলী এলাকার রমজান আলীর ছেলে ফিরোজ আহমদ (৪৭), একই এলাকার লোদা মিয়ার ছেলে রাসেল উদ্দিন (৩৮) ও নুরুল ইসলাম (৪৮) এবং একই উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ফকিরা বাজার এলাকার মৃত আবদুল গণির ছেলে মো. শরীফ (৪৮)।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্ত ফিরোজ আহমদ ও নুরুল ইসলাম তার পরিচিত ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে তাকে কু-প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সোমবার বেলা ২টার দিকে শহরের আদালত এলাকার মসজিদ মার্কেটের আইনজীবী একরামুল হুদার চেম্বার থেকে তিনি নিচে নামেন। এ সময় অভিযুক্তরা তাকে হাত-মুখ চেপে ধরে একটি নোহা গাড়িতে তোলে।
ওই নারীর আরও অভিযোগ করেন, তাকে বহনকারী গাড়িটি কক্সবাজার বন বিভাগের সামনে পশ্চিমের কেসি দে সড়কের জনৈক ফজল কাদেরের বাসায় নিয়ে যায়। পরে বাসাটির কক্ষে নিয়ে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এরমধ্যে মামলার ২ নম্বর আসামি রাসেল উদ্দিন নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে বাসার গেটের বাইরে বের করে দেয়। এ সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকালে শহরের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযুক্ত ফিরোজ আহমদ সংবাদ সম্মেলন করে। সেখানে ওই নারীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করে। তার দাবি, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ওই নারীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।









