ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরে ২০১৬ সালে মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন মামুন। জামিন শুনানিতে জেলা আইনজীবী সমিতির শতাধিক সদস্য অংশ নেন। তবে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. দিদারুল আলম জানান, ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর উপজেলায় ফেসবুকে ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত পোস্টের প্রতিবাদে স্থানীয় কলেজ মোড়ে হেফাজতে ইসলাম ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি সমাবেশ আহবান করা হয়। সেই সমাবেশ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ১০টি মন্দির ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি কাজল জ্যোতি দত্ত বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে এ বছরের ৩০ জানুয়ারি পুলিশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মামুনসহ ২৬৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। আদালত মামলাটি পর্যালোচনা করে তা গ্রহণ করেন। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এই মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকার আজ দুপুরে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মামুন। তবে আদালত আবেদন নাকচ করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।









