চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের চলমান কাজে এখনও অনেক সমস্যা দৃশ্যমান। সমস্যাগুলো সমাধানে জরুরি ভিত্তিতে সমন্বয় সভার আয়োজন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ পুরাতন নগর ভবনে কে বি আব্দুস ছাত্তার মিলনায়তনে চসিকের ৬ষ্ঠ নির্বাচিত পরিষদের ২০তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়তে হলে সকল সেবা সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ এবং সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী, চসিকের নির্বাচিত কাউন্সিলর, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের— যে কোনও সমস্যার জবাবদিহি করতে হয় তাদেরকে। তাই নগরীর প্রতিটি উন্নয়ন কাজে তাদের সম্পৃক্ত করা ছাড়া কোনও বিকল্প নেই। তিনি চসিকের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির ব্যাপারে বন্দর, কাস্টম থেকে কর আদায়ের যে পরিকল্পনা আছে তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সাথে পত্র প্রেরণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
মেয়র বৈঠকে জানান, দুই হাজার পাঁচশত কোটি টাকার নগর উন্নয়ন প্রকল্প সম্পূর্ণ সরকারি ব্যয়ে করার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে বরাদ্দ দিয়েছেন তা বাস্তবায়নের জন্য নতুনভাবে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার অভিজ্ঞতার আলোকে এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। নগরীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদে যে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে তা আরও জোরদার করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, উচ্ছেদকৃত অবৈধ স্থাপনাগুলো যাতে পুনর্দখল হতে না পারে সেই জন্য সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বেষ্টনী দিয়ে বাগান তৈরি অথবা ফেন্সিং-এর ব্যবস্থা নিতে হবে।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদ মাহমুদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলর, বিভিন্ন সেবা সংস্থার প্রতিনিধি ও বিভাগীয় প্রধানরা।
সভার শুরুতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীসহ নগরীর গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
সূত্র: বাসস









