আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগে বসন্তের কোকিলের প্রয়োজন নেই। দলের নামে কেউ অপকর্ম করবেন না। মনে রাখবেন, সাধারণ মানুষ ভয়ে আপনাদের কিছু বলে না। সাধারণ মানুষের পাশে যান।’
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় কক্সবাজার জেলা আওয়ামী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের মহাথির, আমাদের মহাবীর। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেটে যার শরীর ক্ষত হয়েছিল, জাতি সেই কলঙ্কের কথা ভোলেনি। পঁচাত্তরের মাস্টার মাইন্ড জিয়াউর রহমান। সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে না, আইন এনে এই মাস্টার মাইন্ডের পরিচয় দিয়েছেন। সেদিন যদি বঙ্গবন্ধু হত্যা না হতো, তাহলে আরেকটি চক্র জিয়াউর রহমানকে হত্যার সাহস পেতো না। ভাগ্যক্রমে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা বেঁচে গিয়েছিলেন। তাদের হত্যার জন্য ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা হয়েছে। এর মাস্টার মাইন্ডও তারেক। সেই বিএনপির মুখে বড় কথা শোভা পায় না।’
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বিএনপি যে হাত দিয়ে আক্রমণ করবে তা ভেঙে দিতে হবে—এটা শেখ হাসিনার কথা। বিএনপির সন্ত্রাসী কর্ম প্রতিহত করতে শেখ হাসিনার এই নির্দেশ মেনে চলতে হবে।’
মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ স্বাধীনতার সুস্পষ্ট ঘোষণা। এর পর থেকে বাঙ্গালী ঐক্যবদ্ধ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধারা একে একে মারা যাচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশ আছে, থাকবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্ব উন্নয়নের এই বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। একমাত্র শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে এটা সম্ভব হয়েছে। দেশের উন্নয়ন শান্তির জন্য তার কোনও বিকল্প নেই।’
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধনের পর শোক প্রস্তাব পেশ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস রক্ষিত, সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা, দফতর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ অন্যরা উপস্থিত রয়েছেন। সভা সঞ্চালনা করছেন জেলা আওয়া মীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ও দফতর সম্পাদক এম এ মঞ্জুর।









