চট্টগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর মিছিল থেকে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পুলিশের গাড়ির লুকিং গ্লাস ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের চান্দগাঁও থানার এসআই মো. কামরুজ্জামান খান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় জামায়াত-শিবিরের ২৬৮ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করেছে। বাকি ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক ৯ জনকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।
পাঁচলাইশ থানার ওসি মো. নাজিম উদ্দীন মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শনিবার সকালে জামায়াত-শিবির পাঁচলাইশ থানাধীন শুলকবহর মাদ্রাসার সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও হামলা করা হয়। জামায়াতের কর্মীদের হামলায় পুলিশের একটি গাড়ির লুকিং গ্লাস ভেঙে গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১৪৩/৩৩২/৩৫৩/৪২৭ ধারায় মামলা করেছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক ৯ জনকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।’
মামলায় নাম উল্লেখ করা ১৮ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরের আমির মাওলানা মো. শাহজাহান, চট্টগ্রাম মহানগরের নায়েবে আমির আ জ ম ওবায়েদ উল্লাহ, মো. নজরুল ইসলাম, মহানগর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. নুরুল আমিন, জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, মো. মাসুদ পারভেজ, শেখ তাজুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, বেলাল হোসেন, মো. তৌহিদুজ্জামান, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. ইসমাইল দাউদ, মো. সোহেল, নুর মোহাম্মদ, আব্দুল বারেক ওরফে ছোটন, মো. রুবেল, মো. শামীম ও আব্দুর রহমান।
এর মধ্যে মো. মাসুদ পারভেজ, শেখ তাজুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, বেলাল হোসেন, মো. তৌহিদুজ্জামান, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. ইসমাইল দাউদ, মো. সোহেল, নুর মোহাম্মদকে ঘটনাস্থল থেকে আটকের পর এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠাসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়ন ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মুক্তির দাবিতে শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। শনিবার সকালে নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন শুলকবহর মাদ্রাসার সামনে থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বহদ্দারহাটে গিয়ে শেষ হয়। বহদ্দারহাট চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জামায়াত নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। বিক্ষোভ মিছিলে বিপুল সংখ্যক জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।









