বান্দরবান সদরের মাঝের পাড়া থেকে লামা উপজেলায় যাওয়ার অভ্যন্তরীণ সড়কে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে সাড়ে ৮ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। এ কাজে নিম্নমানের ইট ও বালুর পরিবর্তে পাহাড়ের মাটি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক প্রশস্তকরণে বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে পাহাড় থেকে কেটে আনা লাল মাটি। আর ইটের খোয়া বিছানোর জন্য সংগ্রহ করা হচ্ছে পুরাতন ভবনের পরিত্যক্ত ইট। কিছু পরিমাণে নতুন ইট আনা হলেও সেগুলো নিম্নমানের। সড়কের পাশের নালাগুলোতেও নিম্নমানের ইট ও সিমেন্টে বালির পরিমাণ বেশি ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঝের পাড়া থেকে লামার আমতলী এলাকা পর্যন্ত চলমান সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য পুরাতন ভবনের নিম্নমানের ইট ভেঙে খোয়া করা হচ্ছে। আর এর সঙ্গে মেশানো হচ্ছে পাহাড় কেটে সংগ্রহ করা লাল মাটি। এছাড়া ড্রেনেও ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইট। আর সড়কের উপরের স্তরে দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে স্থানীয় পাথর।
আমতলী পাড়ার সুইক্যা প্রু মারমা অভিযোগ করেন, ‘সড়ক সম্প্রসারণ করতে পাহাড় কেটে সংগ্রহ করা লাল মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। ইটও নিম্নমানের। এমন কাজে আমরা সন্তুষ্ট নই।’
হেডম্যান পাড়ার অংসাহ্লা বলেন, ‘এতো নিম্নমানের ইট ও বালুর পরিবর্তে মাটি দিয়ে সড়ক করা যায় আগে দেখিনি। এমন কাজের জন্য পাহাড়ের সড়কগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। দ্রুত তদন্ত করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
সড়কটির কাজ করছেন বান্দরবান পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ। অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করছি। কাজে কোনও অনিয়ম হয়নি।
সদর উপজেলা প্রকৌশলী আমানুর রহমান বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কাজ পরিদর্শন করবো। অনিয়ম পেলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।’









