কক্সবাজারে পৃথক অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ডাকাত রাসেল ও তার ছয় সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ আগস্ট) র্যাব-১৫ কক্সবাজার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর সাদেকুল হক এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের তেলখোলা বটতলী এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও ডাকাত রাসেল বাহিনীর প্রধান শেখ রাসেল ও তার ছয় সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ সময় আটটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার কর হয়।
অপরদিকে, কক্সবাজারের বাকখালী নদীর মোহনা খুরুশকুলের কাছে অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
প্রেস ব্রিফিংয়ে মেজর সাদিকুল হক জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে র্যাব-১৫ এর একটি টিম মঙ্গলবার রাতে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের তেলখোলা পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ডাকাত দলের নেতা শেখ রাসেল এবং তার ছয় সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়।
তার সহযোগীরা হলেন- মোহাম্মদ ছলিম, নুরুল আমিন, কায়সার উদ্দিন, ছাদেক, সাহাব উদ্দিন ও নুরুল হাকিম। তারা সবাই উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের রঙ্গিখালী এলাকার বাসিন্দা।
তিনি জানান, স্থানীয় কিছু জন প্রতিনিধিদের প্রশ্রয়ে থেকে রাসেল বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি, খুন, গুম, দখলবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ চালিয়ে আসছিল। তদন্তে এসব জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানের সময় রাসেল বাহিনীর আরেও তিন সহযোগী পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাসেলের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়াও অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে ৩/৫টি করে মামলা রয়েছে। বিভিন্ন সময় এই বাহিনীর হাতে পুলিশ, বিজিবি ও ফরেস্ট গার্ডরা হামলার শিকার হয়েছিল।
র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, এক লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা গ্রেফতার মাহমুদুল হক মিয়ানমার থেকে সমুদ্র পথে ইয়াবার বড় চালান এনে বাকখালী নদীর মোহনায় খুরুশকুলের কাছে খালাস করে এসব ইয়াবা চট্টগ্রাম ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করার পরিকল্পনা করেছিল।









