চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মেহেদুল আলম ভূঁইয়া বাদী হয়ে জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মীরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে প্রধান করে ৩৫ বিএনপি নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত ৬০ জনকেও আসামি করা হয়।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর সংঘর্ষে নিহত কিশোর রায়হান হোসেন রুমনের মা খালেদা আক্তার বাদী হয়ে একই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলাও প্রধান আসামি করা হয় নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে। মামলায় ১৫ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাত আসামি করা হয় ৬০ জনকে। দুই মামলায় সংঘর্ষের দিন আটক হওয়া চার জনকে আসামি দেখানো হয়েছে।
জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদ হোসেন বলেন, ওচমানপুরের ঘটনায় আহত মেহেদুল আলম ভূঁইয়া বাদী হয়ে থানায় একটি মারামারির মামলা করেছেন। মামলায় সংঘর্ষের দিন আটক হওয়া চার বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলার এজাহারানীয় অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মীরসরাই উপজেলার আজমপুর বাজার এলাকায় বিএনপি ও স্থানীয় ওচমানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে রায়হান হোসেন রুমন (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হয়। সে আজমপুর বাজারে সুফিয়ানের দোকানে মাছের ট্রাকের ড্রামে পানি ভর্তি করার কাজ করতো। তার মৃত্যুর পর উপজেলা ছাত্রলীগ তাকে নিজেদের কর্মী দাবি করে শোকবার্তা দেয়। নিহত রুমন উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনপাহাড় এলাকার মৃত নুরের জামানের ছেলে। ছোটবেলা থেকে নানার বাড়ি ওচমানপুর ইউনিয়নের পাতাকোর্ট গ্রামে থাকতো তারা।









