কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিনে রিসোর্ট নির্মাণের জন্য অবৈধভাবে কাঠ ও ছন নেওয়ার সময় জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১১ অক্টোবর) বিকালে টেকনাফের দমদমিয়া কেরুনতলী ঘাট এলাকায় এসব অবৈধ কাঠ ও ছন জব্দ করা হয়।
এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এরফানুল হক চৌধুরী।
এ বিষয়ে ইউএনও আদনান চৌধুরী বলেন, অবৈধ একটি ঘাট দিয়ে অবৈধভাবে সেন্টমার্টিনে মালামাল পাচারের খবরে ওই এলাকায় আমরা অভিযান চালাই। পরে সেখানে অনুমতিবিহীন দুই ট্রাক কাঠসহ ছন জব্দ করা হয়। মূলত এই মালামাল দ্বীপে রিসোর্ট নির্মাণের জন্য নেওয়া হচ্ছিল। যার কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল না।
তিনি বলেন, দ্বীপে নতুন করে হোটেল-মোটেল ও কোনও রিসোর্ট নির্মাণের সুযোগ নেই। সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমরা খুব দ্রুত প্রবাল দ্বীপে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো।
এদিকে, গত ২৩ মে সেন্টমার্টিন রক্ষায় দ্বীপে সেমিনার, কর্মশালা, দলবদ্ধ ভ্রমণ, শিক্ষা সফর, গবেষণা, নমুনা সংগ্রহ এবং স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম করতে চাইলেও পূর্বানুমতির বিধান জারি করে। এই বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গেজেট আকারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সেন্টমার্টিনে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার স্থাপনা সরকারি কাজ ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যাবে না। সেইসঙ্গে দ্বীপে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন, বিধি ও নীতিমালার সঙ্গে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো প্রতিপালন করা হবে। কিন্তু গেজেট প্রকাশের পর ৯ মাস অতিবাহিত হলেও দ্বীপে এর কোনও বাস্তবায়ন দেখা যায়নি।









