নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোকে আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। যারা সাড়া দিয়েছেন তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বিএনপি আসেনি। কমিশনের প্রতি তাদের আস্থা নেই। তারা নাকি আমাদেরকে মানেন না। এখন দাওয়াতের পরও যদি কেউ না আসে, তাহলে তাদের জোর করে আনা আমাদের কাজ নয়। রাজনৈতিক কোনও বিষয় আমরা সমাধান করতে পারব না বা এটি আমাদের ম্যান্ডেটও নয়। আমরা নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টি করবো।’
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান, পুলিশ সুপার তারেক বিন আজিজ, কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেহের নিগার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রিয়াঙ্কা দত্ত, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম চৌধুরী ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন বা নির্বাচনি কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যান্য যারা আছেন তাদের কিন্তু দায়িত্ব নয় ভোটার আনার। ভোটার আনার দায়িত্ব হলো যারা ভোট করেন সেই প্রার্থী এবং যারা রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের। আমাদের দায়িত্ব পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া। আমাদের যে কর্মকাণ্ড, এতে কোনও ব্যত্যয় হবে না।’
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘বিজয়ী প্রার্থী সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে না পারা, ব্যয়বহুল ও চ্যালেঞ্জিং জেনেই নির্বাচনের আয়োজন করেছি। কারণ, সংবিধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে যদি বিশেষ কোনও অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় তাহলে বিজয়ী এমপি সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন।’
মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘লক্ষ্মীপুরের এই উপনির্বাচন নিয়ে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। প্রচারণায় কিংবা সুষ্ঠু নির্বাচনে যারাই বিঘ্ন সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অংশগ্রহণমূলক ভোট করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’








