কক্সবাজার শহরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ সহ আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন।
কক্সবাজারে রবিবার (৪ আগস্ট) দুপুরের পর থেকেই আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা কক্সবাজার শহরের লিংকরোড, বাস টার্মিনাল এলাকায় বিশাল মিছিল বের করে। বিকালের দিকে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে কক্সবাজার শহরে ঢোকেন। মিছিলে আন্দোলনকারী ছাড়াও বিএনপি-ছাত্রদল ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরাও অংশ নেন।
অপরদিকে, কক্সবাজার পাবলিক হল মাঠে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে নাশকতাবিরোধী সমাবেশ চলছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মিছিল কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। সন্ধ্যা ৭টার পর থেকেই শহরের শহীদ সরণি ও ঘুমগাছতলা এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় এলোপাতাড়ি গুলি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে ২০/২২ জন আহত হন। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যু হয়।
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. আশিকুর রহমান একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।
পরে রাত ৮টার দিকে শহরের বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়।









