খাগড়াছড়ি সদরে পিটুনিতে শিক্ষক নিহতের ঘটনার জেরে পাহাড়ি-বাঙালি দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট রোজলীন শহিদ চৌধুরীকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি গঠনের কথা জানান জেলা প্রশাসক সহিদুজ্জামান।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক সহিদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেছি। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য জন্য কমিটি করা হয়েছে। নতুন করে যাতে সহিংসতা না বাড়ে সেজন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’
এদিকে, খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এবং সরকারি কাজে বাধা ও হামলার ঘটনায় দুটি মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
জেলা পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বলেন, ‘শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আইন কোনোভাবে নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। এখন পর্যন্ত দুটি মামলা হয়েছে। শিক্ষক হত্যার ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। নিহতের পরিবারের সদস্যরা এখনও খাগড়াছড়ি এসে পৌঁছায়নি। তারা এলে মামলা হবে।’
বুধবার সকালে খাগড়াছড়ি বাজার ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার দুপুরে খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সোহেল রানাকে পিটিয়ে হত্যা করে পাহাড়ি শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা। ঘটনার জেরে বিকাল থেকে শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পাহাড়ি-বাঙালির মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুট করা হয়।








