নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তালা দিয়ে অবস্থান ধর্মঘট

নোয়াখালী প্রতিনিধি
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৮আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৮

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় প্রাপ্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান ধর্মঘট করেছেন দ্বীপের বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে ‘সম্মিলিত সামাজিক সংগঠনের’ ব্যানারে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচির ফলে বন্ধ হয়ে যায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কার্যক্রম।

এ সময় অংশগ্রহণকারীরা হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সংকট, শয্যা ও সরঞ্জামের অভাবে রোগীদের চরম ভোগান্তি দূর করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। 

কর্মসূচিতে হাতিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম, ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, হাতিয়া সমিতি-নোয়াখালী, হাতিয়া ফোরাম-বৃহত্তর নোয়াখালীসহ বিভিন্ন সংগঠন একাত্মতা প্রকাশ করে।

এ সময় বক্তব্যে শাহ মিজানুল হক মামুন বলেন, হাতিয়া একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এই বিচ্ছিন্ন দ্বীপের সাত লাখের বেশি বাসিন্দা যুগ যুগ ধরে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। দেশের সবকিছুর পরিবর্তন হলেও হাতিয়া দ্বীপবাসীর ভাগ্যের কোনও পরিবর্ত হয়নি। এখানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্স নেই। মালি, ঝাড়ুদাররা ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে চিকিৎসা সেবা দেয়। কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে কখনও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।

নোমান সিদ্দিক নামে একজন বলেন, আমাদের দ্বীপের মানুষের জীবনের কোনও মূল্য নেই। সাত লাখ মানুষের এই দ্বীপে জরুরি অস্ত্রোপচার কিংবা জটিল কোনও রোগীর চিকিৎসা করার ব্যবস্থা নেই। অনেক সময় গর্ভবতী মায়েরা তাদের ডেলিভারির সময় নোয়াখালী যাওয়ার পথে মারা যেতে হয়। এখানে মাসের অধিকাংশ দিন কোনও চিকিৎসক থাকেন না। চিকিৎসক যারা কর্মরত আছেন, তারাও মাসের অধিকাংশ দিন হাসপাতালে থাকেন না। আমরা এর প্রতিকার চাই।

জানতে চাইলে নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমি বলেন, হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও স্টাফ সংকটের বিষয়ে একাধিকবার চিঠি দিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আজ যারা অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছে তাদের সঙ্গে আমাদের কর্মকর্তাদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা তাদের দাবিগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানোর ব্যবস্থা করছি।

/এফআর/
সম্পর্কিত
এমপিওভুক্তির দাবিতে স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের অবস্থান ধর্মঘট
ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর পুলিশের গুলি, জামায়াতের নিন্দা
পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয় কেন অস্থির, কারা করছে আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম