বন্যা ও জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধে টেকসই বেঁড়িবাধ নির্মাণসহ সরকার নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘সরকারের মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের জনগণের বিপদ-আপদে পাশে থাকা দায়িত্ব ও অঙ্গীকার।’
শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা মাঠে শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ১০০ ঘর নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
“সবার আগে বাংলাদেশ, ক্ষমতার আগে জনগণ” এই নীতিকে সামনে রেখেই সরকার কাজ করছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শুধু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নয়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্য চাষি ও গবাদিপশুপালকদের জন্যও সরকার সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যাদের বীজতলা, চারা বা কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের সার, বীজসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতির জরিপ করে সহায়তা দেওয়া হবে। এ ছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, সড়কসহ সব ধরনের অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জনবান্ধব ও দরিদ্রবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে, যাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না হয় এবং সরকারের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া যায়।’
অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিতরণকৃত সামগ্রী পরিদর্শন করেন। পরে তিনি পেকুয়ার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
দুদিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার কক্সবাজার আসেন। প্রথমদিন তিনি চকরিয়ায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।









