সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে পেছালো ফেনীর ফুলগাজি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ। বুধবার আদালত আগামী ৪ মে সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।
বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হলেও মামলার সাক্ষী ব্যবসায়ী রাব্বী আহমেদ আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। এ কারণে ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সফিউল আলম পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন এই তারিখ দেন। এর আগে গত মঙ্গলবার মামলার প্রধান সাক্ষী নিহত একরামের বড় ভাই রেজাউল হক জসিমের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
ফেনী জেলা দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট হাফেজ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বিচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বুধবার ২য় সাক্ষী রাব্বীর সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আদালতে হাজির হয়নি। অন্যদিকে, মাহতাবউদ্দিন মিনার ছাড়া কারাগারে থাকা অন্য আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন।
এসময় মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও অন্যতম আসামি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আদেল, ফুলগাজি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী ও যুবলীগ নেতা জিয়াউল আলমসহ গ্রেপ্তার ৪৪ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৮ আগস্ট ৫৬ জনকে আসামি করে আদালতে একরাম হত্যার মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এর আড়াই মাস পর ১২ নভেম্বর আলোচিত এ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। মামলায় গ্রেফতারকৃত ১৬ আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ পর্যন্ত ৪৪ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। এদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন চারজন।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ২০ মে ফেনী শহরের একাডেমি এলাকায় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে গুলি করে, কুপিয়ে ও পুড়িয়ে ফুলগাজি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল হক একরামকে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই রেজাউল হক জসিম বাদী হয়ে বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় মামলা করেন।
আরও পড়তে পারেন: পহেলা বৈশাখে ডিএমপির মিষ্টি প্রত্যাখ্যানের আহ্বান
/এমও/








