‘সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলে গ্রেফতার করা হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫০ আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫০

সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখলে গ্রেফতার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সামাজিক অপরাধ দমনবিষয়ক এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। কক্সবাজার জেলা পুলিশ এ সমাবেশের আয়োজন করে।

কিশোর গ্যাং নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডিআইজি বলেন, এ অপরাধ দমনে পুলিশের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের ওপর অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি কমে গেছে। যে বয়সে তাদের বই-খাতা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে বয়সে বিকালে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে শিস দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। পারিবারিক শাসন ও নজরদারির অভাবেই কিশোর গ্যাং তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডিআইজি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিশোর গ্যাং এ দেশ থেকে নির্মূল করবো। কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না। এটি পুরোপুরি নির্মূল করতে আমাদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান। বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান এবং জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, কক্সবাজার শহরে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়। অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ সম্প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকেও সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

/আরএইচ/
সম্পর্কিত
সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর আব্দুল হাফিজ গ্রেফতার
ওই রাতেই বন্ধুসহ বারে গিয়েছিলেন তাহসিফ সাউরি, সঙ্গে থাকা তরুণী কে?
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, সেই এএসপি বাধ্যতামূলক অবসরে
সর্বশেষ খবর
শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান 
শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান 
১২ কলেজে পাসের খাতা শূন্য, সৈয়দপুরে সাফল্যের রেকর্ড
১২ কলেজে পাসের খাতা শূন্য, সৈয়দপুরে সাফল্যের রেকর্ড
বন্যপ্রাণী নয়, সাফারিতে এ বার সঙ্গী বিশাল ভাসমান হিমশৈল!
বন্যপ্রাণী নয়, সাফারিতে এ বার সঙ্গী বিশাল ভাসমান হিমশৈল!
পাকিস্তান হয়ে আফগানদের দেশে ফেরত পাঠাতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন
পাকিস্তান হয়ে আফগানদের দেশে ফেরত পাঠাতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন
সর্বাধিক পঠিত
এইচএসসিতে সাফা, ফারিণ থেকে হিমি: কে কত পেয়েছিলেন
এইচএসসিতে সাফা, ফারিণ থেকে হিমি: কে কত পেয়েছিলেন
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, সেই এএসপি বাধ্যতামূলক অবসরে
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, সেই এএসপি বাধ্যতামূলক অবসরে
রণক্ষেত্র মিরপুর-১০
রণক্ষেত্র মিরপুর-১০
যে দুই বিষয়ে বেশি ফেল করায় খারাপ হয়েছে ফল 
যে দুই বিষয়ে বেশি ফেল করায় খারাপ হয়েছে ফল 
অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে পুকুরে জামায়াতের লংমার্চের বাস, নিহত ১: ঘটনাস্থলে দুই এমপি
অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে পুকুরে জামায়াতের লংমার্চের বাস, নিহত ১: ঘটনাস্থলে দুই এমপি