নারায়ণগঞ্জে এবার একটি স্কুলের এক সহকারী শিক্ষককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওই স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়, মিষ্টি খাওয়ানোর কথা বলে ছাত্রীটির শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন ওই শিক্ষক। তবে আটক শিক্ষকের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় অবস্থিত ‘তাজেক প্রধান উচ্চ বিদ্যালয়’ এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃত শিক্ষকের নাম ইব্রাহিম মিয়া (৫০)। তিনি গোগনগর এলাকার বাসিন্দা।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক রবিন আহমেদ জনান, সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি খুব বেশি হয়নি। তাই আমরা স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ হই হুল্লোড় শুনে বের হয়ে দেখি আমাদের এক সহকারী শিক্ষককে মারধর করা হচ্ছে। কেন মারধর করছে তা এখনও পরিষ্কারভাবে কিছু জানতে পারিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম জানান, নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর খালু সময় পার হয়ে যাওয়ার পর এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়ার জন্য আমাকে বলে। আমি তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। সেটা নিয়ে ওই পরিবার আমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। এছাড়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে এক ছাত্রের সম্পর্কও ছিল। জানাজানি হলে আমি উভয়কে এখেই এসবে জড়াতে নিষেধ করি। এদিকে আমাদের স্কুলের এক শিক্ষকের বিয়ে ঠিক হয়েছে। সেই উপলক্ষে তিনি মিষ্টি আনলে দুপুরে তা শিক্ষার্থীদের মাঝেও বিলি করি। তখনই আমাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়।
আরও পড়তে পারেন : টানা ২৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু
ঘটনাস্থলে যাওয়া নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, ওই ছাত্রীর অভিযোগ তাকে মিষ্টি খাওয়ানোর সময় শ্রেণিকক্ষে একা পেয়ে জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। ছাত্রীর অভিযোগ আমলে নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল মালেক জানান, দুপুরে এ ঘটনা শুনে স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে মারধর করে। তখন পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
/জেবি/টিএন/








