কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের পাশে বোমা হামলার ঘটনায় নিহত সন্দেহভাজন যে পোশাক পরেছিল তা ছিল চাপাতি রাখার বিশেষ ধরনের পোশাক। নীল রঙের ওই পোশাকের ভেতরে বিশেষ কায়দায় চাপাতি জাতীয় অস্ত্র রাখার চেম্বার ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অল্পবয়সী ওই ছেলের পরনে ছিল নীল রঙের ঢোলা পাঞ্জাবি ও ঢোলা পায়জামা এবং পায়জামার ভেতরেও চাপা জিনসের একটি প্যান্ট পরা ছিল। সেই প্যান্টের মধ্যেই কোমর থেকে হাঁটুর ওপর পর্যন্ত বিশেষ চেম্বার বানানো ছিল। ওই চেম্বারে চাপাতি জাতীয় লম্বা অস্ত্র রাখা যায়।
পুলিশ আরও জানায়, হামলার পর পোশাক বদলে হামলাকারীরা সাধারণ জনগণের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং হামলার পর আজিমউদ্দীন স্কুলের আশপাশের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে যায়।
শোলাকিয়া মাঠে উপস্থিত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, বোমা হামলার পর তারা পুলিশের ওপর গুলিও চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি করে। এ সময় ছেলেটি গুলিতে নিহত হতে পারে। তবে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
প্রসঙ্গত, কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের আধা কিলোমিটারের মধ্যে বোমা হামলায় দুই পুলিশ সদস্যসহ চারজন নিহত এবং কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন, তার নাম ঝর্ণা রানি ভৌমিক। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। নিহত আপরজন হামলাকারী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
/এমও/এএইচ/আপ-এআর/








