নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ অফিসে ভয়াবহ বোমা হামলা ও ২০ জন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবারও পিছিয়েছে। আদালত আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য্য করেছেন।
বুধবার (১৩ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ অতিরিক্ত প্রথম আদালতের বিচারক মিয়াজী মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর আদালতে শুনানির ধার্য্য তারিখ ছিল। কিন্তু আসামিদের হাজির না করায় ও সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়নি। এর আগে ৪ মে একই আদালতে শুনানির ধার্য্য তারিখ থাকলেও একই কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানো হয়েছিল।
নারায়ণগঞ্জ আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম জানান,‘আসামিদের হাজির না করায় ও সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।’
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ অফিসে ভয়াবহ বোমা হামলায় ২০ জন নিহতের ঘটনায় বিস্ফোরক ও হত্যা আইনে দু’টি মামলা হয়। কয়েক দফা তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন শেষে ২০১৩ সালের ২ মে মামলা দু’টির তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)আদালতে চার্জশিট জমা দেন। এ দু’টি মামলায় বাদীসহ সাতজনকে সাক্ষী করা হলেও গত ২১ জানুয়ারি বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূরক চার্জশিটে আগের চার্জশিটভুক্ত আসামি অভিন্ন রেখে শুধু সাক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো হয়। সম্পূরক চার্জশিটে আটজন তদন্তকারী কর্মকর্তার পাশাপাশি ৩৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
জানা গেছে, চার্জশিটভুক্ত ছয়জনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে ক্রসফায়ারে নিহত যুবদল ক্যাডার মমিনউল্লাহ ডেভিডের ভোট ভাই শাহাদাতউল্লাহ জুয়েল ও হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান গ্রেফতার রয়েছেন। পলাতক রয়েছেন ওবায়দুল্লাহ রহমান। ভারতের দিল্লী কারাগারে আটক রয়েছেন সহোদর আনিসুল মোরসালিন ও মুহিবুল মুত্তাকিন। আর জামিনে আছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু।
আরও পড়ুন:
যে কারণে জঙ্গিদের রক্ত ও ডিএনএ পরীক্ষা
এক বছর ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র রবিন
/বিটি/এমএসএম /








