নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার রাইজদিয়া গ্রামে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া পান দোকানদার আবদুল মতিনের মাথায় ময়নাতদন্তে ‘আঘাতের চিহ্ন’ পাওয়া গেছে। এছাড়া, ওই ঘটনায় গণপিটুনিতে নিহত পুলিশ সদস্য আরিফুরের মৃত্যুও ঘটেছে আঘাতে।
বৃহস্পতিবার বিকালে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল সার্জন (আরএমও) ডা. আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান।
এর আগে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ হাসপাতালেই নিহত দু’জনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আবদুল মতিন ও আরিফুর মাথায় আঘাত পেয়েই মারা গেছেন।তাদের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়াও দু’জনের শরীরেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শনিবার বিস্তারিত জানানো যাবে। এখনই সবকিছু বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, বুধবার (৩ আগস্ট) বিকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার রাইজদিয়া গ্রামে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে পান দোকানদার আবদুল মতিনকে ধাওয়া করলে তিনি পানিতে ডুবে মারা যান। পুলিশের ভাষ্য, মতিন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। তবে পরিবারের দাবি ছিল, মতিনকে পানিতে চুবিয়ে ও আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধাওয়াকারী পুলিশ সদস্য আরিফুরকে গণপিটুনি দিলে তিনিও মারা যান। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলাও করেছে যেখানে মতিনকে মাদকাসক্ত ও মাদক বিক্রেতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কিবরিয়া হত্যা মামলায় আরও দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ
/এআর/এমএসএম/








