রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার হরিণবাড়িয়া হাট পদ্মা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ নারী ও ২ শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুলাল শেখ নামে এক ভ্যান চালক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার ভোরে ঘটনাস্থল থেকে পদ্মা নদীর ৩ কিলোমিটার ভাটিতে হিরু মোল্লার ঘাট এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ভেসে থাকা মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল।
এতে সহযোগিতা করে কালুখালী থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা।
কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম ফকির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত ও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে যাত্রীবাহী ট্রলারটি নদীতে ডুবে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিখোঁজ ভ্যানচালক দুলাল ও ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধানে অভিযান চলছে।
উদ্ধারকৃত ৫ জনের মরদেহ দুপুরে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতরা পরস্পরের আত্মীয়।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে কালুখালীর বোয়ালিয়া গ্রাম থেকে দাওয়াত খেয়ে নিজ বাড়ি হরিণবাড়িয়ার সাদার চরের উদ্দেশে ট্রলারে উঠেছিল। ট্রলারটি সন্ধ্যায় ঘাট এলাকা থেকে শত গজ দূর যাবার পরেই নদীতে তলিয়ে যায়।
নিহতরা হলেন,পাংশা জেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর রামনগর গ্রামের রোকন সেখের স্ত্রী হালিমা বিবি (৫০),তার মেয়ে বেগম (৪০), বেগমের মেয়ে ফরিদা খাতুন (২২), কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের আলতাফের ২ ছেলে রাজু (৬)ও বাহুল (৩)।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই নিখোজদের সন্ধানে নদীর পাড়ে ভিড় করেন স্বজন ও গ্রামবাসী।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে মৃতদেহ দেখতে ও শোকার্তদেরকে সমবেদনা জানাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন জেলা প্রশাসক জিনাত আরা, পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির (পিপিএম), কালুখালী থানার ওসি নূরে আলম ফকির। এ সময় জেলা প্রশাসক নিহতদের দাফন বাবদ পরিবারপ্রতি ২০ হাজার করে টাকা দিয়েছেন।
/এইচকে/
আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে ট্রলার ডুবি: চার লাশ উদ্ধার








