নারায়ণগঞ্জের মেধাবী শিক্ষার্থী তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে শহরের চাষাঢ়া শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জলন ও প্রতিবাদ সভা করেছে ‘নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট’।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ওই সভায় হত্যাকাণ্ডের দ্রুত চার্জশিট দিয়ে বিচার কাজ শুরুর দাবি জানানো হয়।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা ও নিহত ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি বলেন, ত্বকী হত্যাকাণ্ডে আগে ও পরে অনেক হত্যাকাণ্ড হয়েছে। তবে সরকার সব হত্যাকাণ্ডের বিচার না করলে যেগুলো তাদের মনে হয়েছে, সেগুলোর বিচার দ্রুতই করেছে। কিন্তু সাগর রুনি হত্যা, তনু হত্যাসহ বেশ কিছু হত্যাকাণ্ডের এখনও বিচার হয়নি। সরকার অপরাধীদের পক্ষ নিচ্ছে। নির্লজ্জভাবে অপরাধীদের পক্ষ নেওয়া ত্বকী হত্যাকাণ্ড এটির উদাহারণ। এ কারণেই ত্বকী হত্যার বিচার হচ্ছে না।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটে সভাপতি জিয়াউল ইসলাম কাজলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েলের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলার সভাপতি হাফিজুর রহমান, গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, সাংস্কৃতিক নেতা সুজিত সরকার, গায়েনের সমন্বয়ক শাহীন মাহমুদ, সমগীতের সভাপতি আমল আকাশ, শ্রমিকনেতা জাহাঙ্গীর আলম গোলক, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম নাহিদ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ বিকেলে ত্বকী শহরের শায়েস্তাখান সড়কের বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। পরে ৮ মার্চ সকালে চারারগোপে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। ত্বকী হত্যা মামলার আসামিদের মধ্যে আটজনই পলাতক। আর ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে দুইজন আসামি ইউসুফ হোসেন লিটন ও সুলতান শওকত ভ্রমর স্বীকাররোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। কিন্তু এ হত্যাকাণ্ডের তিন বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত এ মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি।
/এবি/
আরও পড়ুন
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পড়ে ‘মফিজ’ বনে গেলাম: এডিসি ছানোয়ার








