মানিকগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী আনোয়ার হোসেন পেয়াদার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার মানিকগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাছিনা রৌশন জাহান এ রায় দেন।
এ সময় আসামি আনোয়ার হোসেন পেয়াদা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ মামলায় অপর তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন আ. ছালাম পেয়াদা, মনির হোসেন পেয়াদা, ও হারুন পেয়াদা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, যৌতুকের জন্য ২০০৫ সালের ১৩ জুন আছমা আক্তারকে হত্যা করা হয়। মামলার বাদী শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের জমদুয়ার গ্রামের মো. হানিফ আলীর বোন আছমা আক্তারের সঙ্গে ১৯৯২ সালে বিয়ে হয় একই গ্রামের আনোয়ার হোসেন পেয়াদার। যৌতুকের জন্য আনোয়ার হোসেন মাঝে মাঝেই স্ত্রী আছমা আক্তারকে মারধর করতেন। ঘটনার দিন এক লাখ টাকার জন্য আনোয়ার হোসেন তার স্ত্রীকে বেদম মারধর করেন। খবর পেয়ে আসমার ভাই হানিফ বোনের বাড়িতে আসেন। এ সময় গুরুতর অসুস্থ আসমা জানান, মারধর করার পর ওষুধ খাওয়ানোর কথা বলে তাকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসমা আক্তারে মৃত্যু হয়।
বোনের মৃতদেহ নিজেদের বাড়িতে আনতে চাইলে আনোয়ার হোসেন পেয়াদা ও তার স্বজনরা স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় হুমকি-ধামকি দিয়ে হানিফ আলীকে তাড়িয়ে দেয়। পরেরদিন হানিফ আলী শিবালয় থানায় মামলা করতে গেলে থানা মামলা নেয়নি। পরে তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন। এতে আনোয়ার হোসেন পেয়াদসহ আসামি করা হয় আ. ছালাম পেয়াদা, মনির হোসেন পেয়াদা, ও হারুন পেয়াদা।
দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
আরও পড়ুন:
হবিগঞ্জে চার শিশু হত্যা মামলার চার্জগঠন ১ সেপ্টেম্বর
/বিটি/








