জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় বহাল থাকায় মানিকগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিসহ সর্বস্তরের মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাসহ ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর মীর কাসেমকে মানিকগঞ্জে দাফনের চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে। কুখ্যাত রাজাকারকে কোনোভাবেই মানিকগঞ্জের মাটিতে দাফন করতে দেওয়া হবে না।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় মানিকগঞ্জ জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট দীপক ঘোষ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট গোলাম মহিউদ্দিন জানান, কুখ্যাত রাজাকার মীর কাসেম আলীর বাড়ি মানিকগঞ্জে। আপিল বিভাগের দেওয়া ফাঁসির রায় বহাল থাকায় সারাদেশের মতো মানিকগঞ্জবাসীও কলঙ্কমুক্ত হলো। মানিকগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের মানুষ আজ আনন্দিত,উল্লাসিত।
এদিকে, বীর মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুদ্দিন আহমেদ পান্নু তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, রাজাকার মীর কাসেম আলীর জন্মস্থান মানিকগঞ্জে হওয়ায় এতোদিন এমনিতেই তারা কলঙ্কিত ছিলেন। ফাঁসি রায় বহাল থাকায় তারা কলঙ্কমুক্ত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর তাকে যদি মানিকগঞ্জে দাফনের চেষ্টা করা হয় তা হলে মুক্তিযোদ্ধারা তা প্রতিহত করবে। কোনোক্রমেই তাকে মানিকগঞ্জের মাটিতে দাফন করতে দেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, মীর কাসেম আলীর গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে। তার বাবার নাম তৈমুর আলী। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় ছিলেন।
তবে বাবার চাকরির সুবাদে তিনি চট্টগ্রামে লেখাপড়া করতেন। বর্তমানে পরিবারের সবাই ঢাকায় বসবাস করেন।
আরও পড়ুন:
মীর কাসেমের ফাঁসির রায় বহাল
মীর কাসেমের ফাঁসির রায়ে সন্তুষ্ট ‘ডালিম হোটেলের বন্দিরা’
/বিটি/







