আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নরসিংদী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ঈদ যতো এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বেচা-কেনা। ক্রেতাদের পাশাপাশি হাটগুলোতে ভিড় করছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যাপারিরাও।
নরসিংদী জেলার প্রধান পশুর হাটগুলো হচ্ছে, শিবপুরের পুটিয়া, যোশর বাজার, গড়বাড়ী বাজার ও শিবপুর সদর বাজার। মনোহরদীতে বাসস্ট্যান্ড বাজার, হাতিরদিয়া ও চালাকচর বাজার। বেলাবোতে সদর বাজার, নারায়ণপুর বাজার, দক্ষিণ বটেশ্বর বাজার ও পোড়াদিয়া বাজার। রায়পুরায় শ্রীরামপুর বাজার, মৌলভী বাজার, জংগী শিবপুর, রামনগর (শুক্কুইরা বাজার), রাধাগঞ্জ, বাইশমৌজা ও মণিপুরা বাজার। পলাশ উপজেলার চর্নগরদী, তালতলী ও ঘোড়াশাল বাজার। নিয়মিত এ হাটগুলোর পাশাপাশি কোরবানি উপলক্ষে বসেছে অস্থায়ী কিছু গরু, ছাগলের হাট।
শনিবার শিবপুরের পুটিয়া পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ছোট-বড় ও মাঝারি আকারের অসংখ্য দেশীয় গরু হাটে উঠেছে। ৩০ হাজার থেকে শুরু করে দুই লাখ টাকার গরুও হাটে এসেছে। এ ছাড়া হাটে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাগল ও মহিষ নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা।
পুটিয়ার হাটে গরু কিনতে আসা শিবপুরের বড়ইতলা গ্রামের জাহেদুল হাসান বলেন, ‘হাটে পছন্দসই গরুর অভাব নেই। তবে বিক্রেতারা দামটা একটু বেশি চাইছেন।’
ঢাকার ডেমরা থেকে আসা মজিবুর রহমান দুলাল নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘এবার ভারতীয় গরুর চাপ কম থাকায় দেশি গরুর দাম একটু বেশি।’
গাজীপুর থেকে আসা বাবুল নামে এক ব্যাপারি জানান, তিনি নরসিংদীর বিভিন্ন হাট থেকে ছোট ও মাঝারি আকারের গরু, মহিষ কিনে ঢাকা এবং গাজীপুরে নিয়ে বিক্রি করছেন। এবার ভারতীয় গরুর চাপ কম থাকায় স্থানীয় বাজার থেকে একটু বেশি দামে কোরবানির পশু কিনতে হচ্ছে।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) হাসিবুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হাটগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক হাটগুলোর সার্বিক অবস্থা মনিটরিং করা হচ্ছে।’ জাল নোট শনাক্তে বিভিন্ন ব্যাংকের সৌজন্যে পশুর হাটে মেশিন বসানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
/এমডিপি/আপ-এআরএল/








