ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে প্রায় ৬২ কিলোমিটার এলাকায় গাড়ির চাপ বেড়ে গেছে। মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে এই চাপ তৈরি হয়। এরই মধ্যে রাস্তার দুই পাশে গাড়ি চলাচলের গতি অনেক কমে এসেছে। কখনও বা চলছে থেমে-থেমে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় ওই রুটের অনেক গাড়ি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ব্যবহার করছে। এ কারণেই বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
টাঙ্গাইলের ট্রাফিক সার্জেন্ট ইফতে খাইরুল বলেন, ‘মহাসড়কে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তার ওপর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় মঙ্গলবার রাত থেকে মহাসড়কে গাড়ির বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।’ তবে কোথাও গাড়ি থেমে নেই বলে দাবি করেন তিনি।
জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুব আলম (পিপিএম) বলেন, ‘পাটুরিয়া- দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন নষ্ট থাকায় ফেরি চলাচল প্রায় বন্ধ। ফলে অধিকাংশ গাড়ি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঘুরে যাচ্ছে। এই অতিরিক্ত গাড়ির চাপেই ঈদের ছুটি শুরুর আগেই যাত্রীদের কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।’
মাহবুব আলম জানান, ‘আইজি মহাদয়ের নির্দেশে আমরা এই মহাসড়ক চার ভাগে ভাগ করেছি। চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ৭৫০ জন পুলিশ সদস্য বুধবার রাত থেকে মহাসড়কে থাকবেন। তারা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।’
মাহবুব আলম বলেন, ‘ফিটনেস ছাড়া অনেক ট্রাক ঈদের আগে গরু নিয়ে মহাসড়কে প্রবেশ করে। এই গাড়িগুলো প্রায়ই রাস্তার মধ্যে বিকল হয়ে পড়ে। তখনই যানজট শুরু হয়। এসব বিকল গাড়ি দ্রুত রাস্তা থেকে সরিয়ে নিতে জেলা পুলিশের দুটি র্যাকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
/এআরএল/
আরও পড়ুন:








