আশুলিয়ায় নিজ ভাড়া বাড়িতে এক স্কুল শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষকরা ওই ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার (১১ নভেম্বর) সকালে ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত নাজমুল আলম দেওয়ানকে (৩০) গ্রেফতার করেছে।
স্কুল শিক্ষকের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৮ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়ার তৈয়বপুর এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের ভাড়া বাড়িতে কৌশলে প্রবেশ করে স্থানীয় বখাটে নাজমুল আলম ও অপু। পরে ওই শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে ধর্ষণ করে তারা। এ সময় এই নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে অপু। বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলা হবে ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে স্কুল শিক্ষককে হুমকি দেয় তারা। পরে এ ঘটনায় স্কুল শিক্ষক নিজেই বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ শুক্রবার সকালে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বখাটে নাজমুল আলমকে গ্রেফতার করে। তবে এ ঘটনায় জড়িত অপর সহযোগী অপু ও তার মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আকবর আলী বলেন, শিক্ষিকা ধর্ষণের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষক নাজমুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও তার সহযোগীদের গ্রেফতার ও মোবাইল ফোন উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আশুলিয়ার তৈয়বপুর এলাকার নাজমুল আলম ও অপু এর আগেও কয়েকজন পোশাক শ্রমিককে বাসায় ফেরার পথে স্থানীয় সড়ক থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর ভিডিও চিত্র ধারণ করেছে। পরে ওই ভিডিও চিত্র দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে। এসব ঘটনা আশুলিয়া থানায় অবহিত করা হয়েছে। তখন পুলিশ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণই এবার শিক্ষিকা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন-
পুলিশকে সংযত আচরণের নির্দেশনা ডিএমপি কমিশনারের
/এফএস/








