সাভারের আমিনবাজার এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও রিয়েল এস্টেট কোম্পানির লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা (মামলা নং-৩৮) দায়ের করা হয়েছে। মামলায় যুবলীগ নেতা তুহিন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজান, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৫জনকে অজ্ঞাত করা হয়।
মামলার বাকি আসামিরা হচ্ছে, সাইফুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, ইয়াসিন আহম্মেদ , রিয়াজ আহম্মেদ, মিঠু মিয়া , মধু মিয়া , রুঞ্জু আহম্মেদ, রিয়াজ মাহামুদ-২ , মিরাজ উদ্দিন , কামরুল হাসান , রনি আহম্মেদ ও হিটু মিয়া ।
মামলা সূত্র জানায়, দশ বছর আগে সাভারের আমিনবাজার এলাকার বড়দেশী গ্রামে প্রায় ১৭ শত একর জমি নিয়ে সিলিকন রিয়েল এস্টেটের প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। এরপর থেকেই ওই জমিতে বালু ফেলে প্লট তৈরি ও বিক্রি করা শুরু করে কর্তৃপক্ষ। তবে বেশ কয়েকমাস ধরে আমিনবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার যুবলীগ নেতা তুহিন খান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজান, আদাবর এলাকার ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ ও সাইফুলসহ বেশ কয়েকজন লোক সেখানে ওয়েস্ট লেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালু করে। তারা গত কয়েকমাস ধরে তাদের জমিতে মালিকানা দাবি করে আসছে। এরই সূত্র ধরে রবিবার দুপুরে যুবলীগ নেতা তুহিন ও ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ, সাবেক কাউন্সিলর মিজান প্রায় ২০টি ট্রলার দিয়ে দুইশতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসীরা তাদেরকে লক্ষ করে একশত রাউন্ড গুলি ৫০টি ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। তাদের হামলায় সিলিকন সিটির ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় ৩০জন।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে সিলিকন রিয়েল স্টেটের সুপারভাইজার আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আরও ২০/২৫জনকে অজ্ঞাত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার অভিযুক্ত আসামিরা রাজধানীর আদাবর ও মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তাদেরকে গ্রেফতার করতে বিলম্ব হচ্ছে। এছাড়াও মামলার আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
/এআর/








