গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্র নিহতের জের ধরে গত চারদিন ধরে গোপালগঞ্জ-পয়সারহাট সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। লোকাল ও ঢাকাসহ অন্যান্য স্থানে সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ওই সড়কে চলাচলকারী হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
জানা গেছে, গত শনিবার কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদের সামনে কমলকুঁড়ি বিদ্যা নিকেতনের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র সিয়াম বাস চাপায় নিহত হয়। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধরা সড়ক অবরোধ করে ঘাতক বাসটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। তারপর থেকে ওই সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সোমবার দুপুরে বাস পোড়ানোর প্রতিবাদে গোপালগঞ্জ বাস মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিষয়টির মিমাংসা না হলে বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) থেকে গোপালগঞ্জের সব অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গোপালগঞ্জের উপর দিয়ে কোনও ধরনের যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হবে না।
জেলা বাসমালিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবুল হোসেন বলেন, ‘কোটালীপাড়ায় দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা একটি লোকাল বাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। চালককে গ্রেফতার ও শ্রমিকদের মারপিট করে। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে আমরা এসব কর্মসূচি দিয়েছি। প্রশাসন সুষ্ঠু সমাধান না দিলে ঘোষিত কর্মসূচি পালন করা হবে।’
কোটালীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আশা করি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।’
জেলা প্রশাসক মো. মোখলেসুর রহমান সরকার বলেন, বুধবার বাস মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও কোটালীপাড়ার নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে বৈঠক হবে। আশাকরি এ বৈঠকেই বিষয়টি সমাধান হবে।
/বিটি/








