সড়ক পথে ভয়, আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। বৃষ্টি-বাদল, ঝড় যাই হোক, যে কোনও মূল্যে সড়ক- মহাসড়ক সচল রাখা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের কাছে বিটুমিনের সড়ক নয়, রাস্তা সচল রাখাই বড় দায়িত্ব। এবারে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা মোটামুটি স্বস্তিদায়ক হবে।’
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) বিকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহসড়কের মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় যানজট পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মেঘনা টোল প্লাজার সামনে যানজট সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘মেঘনা-গোমতি সেতুতে টোল আদায়ের সিস্টেমে ক্রটি রয়েছে। সেটা সারিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে। আজ থেকে এখানে চার লেনে যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন হালকা যানবাহন চলবে। বাকি চার লেনে পণ্যবাহী ট্রাক-লড়ি কাভার্ডভ্যান চলবে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে ঝামেলা আছে। মধ্য রাতের কারসাজি। অনেক সময় রাস্তার ওপর গাড়ি থামিয়ে টাকা-পয়সা আদায়ের জন্য একটা ঝামেলা পাকানো হয়। এগুলো বন্ধ করতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘হাইওয়ে পুলিশ ও সিএনএস কোম্পানির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে নির্দেশনা মেনে চলে। নইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘দেশের সব মহাসড়ক ভাল আছে। তবে জেলা সড়কের অনেক জায়গায় সমস্যা আছে। বন্যা ও ভারি বৃষ্টিতে দেশের কমপক্ষে ৩০টি স্থানে রাস্তায় ৫শ থেকে ১ হাজার মিটার আবার কোথাও কোথাও এক কিলোমিটার পর্যন্ত রাস্তা ভাঙাচোরা আছে। এই মুহূতে দেশে বন্যার কারণে ৫০টির বেশি সড়ক পানির নিচে তলিয়ে আছে। এই অবস্থায় আমাদের ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে এগুলো দ্রুত মেরামত করে রাস্তা সচল করে তোলার চেষ্টা চলছে।’
এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশের এসপি সফিকুর রহমান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন:








