সাভারে এক কলেজছাত্রীর প্রচেষ্টায় মরিয়ম আক্তার (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রী বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। শুক্রবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের চাইরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মরিয়ম আক্তার ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে এবং মুশুরিখোলা শামসুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়রা জানায়, পারিবারিকভাবে শুক্রবার ভাকুর্তা এলাকার নুরুল ইসলামের মেয়ে মরিয়মের সঙ্গে একই এলাকার শহিদুল্লার ছেলে ইলেকট্রনিক্স মিস্ত্রী জাকির হোসেনের (২৮) বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিয়ের খবর পেয়ে সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী এনজিও কর্মী মুক্তা আক্তার মনি ছুটে যান ওই এলাকায়। তিনি ভাকুর্তা এলাকার বিভিন্ন স্থানীয়, ইউপি মেম্বারসহ সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছে ছুটে গিয়ে তাদেরকে একত্রিত করেন। পরে ওই কলেজছাত্রী বিয়ে বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিয়ে সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দেন। আলোচনার একপর্যায়ে বর ও মেয়ের পরিবারের সদস্যরা বিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
কলেজছাত্রী মুক্তা জানান, তিনি সাভারে বার্ড নামে একটি এনজিও-তে কাজ করেন। এছাড়া সাভারে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিয়ের কথা শোনার পরপরই সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তাদেরকে বাল্যবিয়ের নেতিবাচক ধারণাগুলো দেওয়ার পর দুই পরিবার স্বেচ্ছায় এ বিয়ে বন্ধ করতে সম্মতি দেয়।
আরও পড়ুন:
মিয়ানমারে উত্তেজনার পর রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা, ১৪৬ জনকে ফেরত








